মেহেন্দিগঞ্জে ভিটেমাটি গিলছে গজারিয়া নদী, ছোট হয়ে যাচ্ছে মানচিত্র
আবুল হাসেম, মেহেন্দিগঞ্জ:
দক্ষিণাঞ্চলের নদীবেষ্টিত বৃহত্তম উপজেলা মেহেন্দিগঞ্জ। মেঘনা, গজারিয়া ও তেঁতুলিয়াসহ ছোট-বড় ১৩টি নদী পরিবেষ্টিত এই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা মারাত্মক নদীভাঙনের কবলে পড়েছে।
দীর্ঘ ৪৭ বছরের অব্যাহত ভাঙনে ইতোমধ্যে হাজার হাজার পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। টেকসই বাঁধ বা কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে না উঠলে অচিরেই দেশের মানচিত্র থেকে মেহেন্দিগঞ্জের বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তীব্র ভাঙনে নিঃস্ব হাজারও পরিবার,
উপজেলার মেহেন্দিগঞ্জের ১২নং দড়িচর খাজুরিয়া, ইউনিয়নে বর্তমানে নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা দড়িচর খাজুরিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের। সরেজমিনে দেখা যায়, নজির আহমেদ রাড়ী বাড়ী ও সাংবাদিক আবুল হাসেম’র বাড়ী থেকে বারেক হাওলাদার বাড়ির সামনের বিস্তীর্ণ এলাকা চোখের সামনে গজারিয়া নদীর পেটে চলে যাচ্ছে। সহায়-সম্বল হারিয়ে গৃহহীন মানুষগুলোর আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে আশপাশের বাতাস।
৪৭ বছরের স্থায়ী সমাধানের আকুতি
স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, গজারিয়া নদীর অব্যাহত গ্রাসে প্রায় পাঁচ দশক ধরে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও সরকারি-বেসরকারি অবকাঠামো বিলীন হচ্ছে। দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে মানুষ শুধু আশার বাণী শুনে আসলে ও নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ও টেকসই কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে দড়িচর খাজুরিয়া ইউনিয়নসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের দাবি—অবিলম্বে জিওবাগ কিংবা স্থায়ী গাইড ওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে টেকসই বাঁধ না দিলে কেবল এই ইউনিয়নই নয়, পুরো মেহেন্দিগঞ্জের ভৌগোলিক অস্তিত্বই মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।
জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তারা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
দড়িচর খাজুরিয়া ইউনিয়ন’র সাধারণ মানুষের দাবী, মাননীয় সরকারের মাননীয় নৌ ও সেতু বিভাগ’র প্রতিমন্ত্রী হিজলা মেহেন্দিগঞ্জের গণমানুষের নেতা রাজিব আহসান’র কাছে জোর দাবি যাতে করে,দড়িচর খাজুরিয়া ইউনিয়ন টি নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য জিও ব্যাগ অথবা তাই বাদের জোর দাবি জানাচ্ছি।
